শিশুকে রক্ষা করুন, অজুহাতকে নয়: ৩৭৭ ধারা বিতর্কে যে প্রশ্নগুলো এড়িয়ে যাওয়া যায় না
শিশু নির্যাতনের একটি অভিযোগ নিরপেক্ষ তদন্ত ও শক্তিশালী সুরক্ষা-ব্যবস্থা দাবি করে। সেই ঘটনাকে কোনো জনগোষ্ঠী সম্পর্কে অপ্রমাণিত দাবির বাহন বা শিশু-কেন্দ্রিক আইন ও প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহির বিকল্প করা যায় না।
১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ প্রকাশিত একটি যৌথ বিবৃতিতে প্রায় ৬০০ ধর্মীয় আলেম ও শিক্ষকের নাম উল্লেখ করে বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ৩৭৭ ধারা কঠোরভাবে প্রয়োগের দাবি জানানো হয়। বিবৃতিটি সাভারের একটি মাদ্রাসায় সাত বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীর যৌন নির্যাতনের অভিযোগের পর প্রকাশিত হয়। এতে সমকামী ও উভকামী মানুষ, এনজিও এবং শিশু নির্যাতন নিয়ে আরও বিস্তৃত কিছু দাবি করা হয়েছে। দাবিগুলোর প্রমাণ ও যুক্তি সতর্কভাবে যাচাই করা দরকার। একই সঙ্গে, প্রকাশিত সংবাদে আসা অভিযোগটির দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া জরুরি; শিশুটির পরিচয় ও গোপনীয়তা রক্ষা করতে হবে, এবং যথাযথ বিচারিক প্রক্রিয়ার আগে কাউকে দোষী ধরে নেওয়া যাবে না।
প্রথম দায়িত্ব শিশুটির প্রতি। তবে জনউদ্বেগ তখনই অর্থবহ, যখন তা প্রমাণ, সুরক্ষা ও জবাবদিহির দিকে নিয়ে যায়। কোনো শিশুর দুর্ভোগকে এমন একটি যুক্তির বাহন করা উচিত নয়, যা বিবৃতিতে দেওয়া প্রমাণ দিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
নির্যাতনের প্রশ্ন নির্ধারিত হয় ক্ষতি, ক্ষমতা ও আইন দিয়ে—ভুক্তভোগীর লিঙ্গ দিয়ে নয়
শিশুর ওপর যৌন নির্যাতন এবং প্রাপ্তবয়স্কদের পারস্পরিক সম্মত সম্পর্ক সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়। সাত বছর বয়সী শিশু কোনো প্রাপ্তবয়স্কের সঙ্গে—বিশেষত কর্তৃত্ব বা প্রভাব খাটাতে পারেন এমন কারও সঙ্গে—যৌন সম্পর্কে অর্থবহ সম্মতি দিতে পারে না। নীরবতা, ভয়, নির্ভরশীলতা, প্রলোভন বা শিক্ষকের কথায় আনুগত্যকে সম্মতি বলা যায় না। যুক্তরাষ্ট্রের রোগনিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র (CDC) শিশু যৌন নির্যাতনের সংজ্ঞায় শিশুর কর্মকাণ্ডটি পুরোপুরি না বোঝা, অবহিত সম্মতি দিতে অক্ষম হওয়া, অথবা বিকাশগতভাবে প্রস্তুত না থাকার বিষয়গুলো উল্লেখ করেছে। বাংলাদেশের শিশু আইন, ২০১৩-এর প্রয়োগে ১৮ বছর পর্যন্ত ব্যক্তিকে শিশু হিসেবে গণ্য করা হয়। এসব মানদণ্ড দেখায়, সুরক্ষার ক্ষেত্রে শিশুর বয়স, অভিযোগের প্রকৃতি, জবরদস্তি, প্রবেশাধিকার, কর্তৃত্বের সম্পর্ক এবং প্রযোজ্য আইন বিবেচনা করা জরুরি।
পর্যালোচিত বিবৃতিতে সমকামী বা উভকামী মানুষ শিশুদের জন্য বেশি ঝুঁকি তৈরি করেন—এমন দাবি করা হয়েছে; কিন্তু বিবৃতির লেখায় শনাক্তযোগ্য কোনো গবেষণা, উপাত্ত, পদ্ধতি বা সূত্র দেওয়া হয়নি। শিশু ভুক্তভোগীর লিঙ্গ থেকে অভিযুক্ত ব্যক্তির প্রাপ্তবয়স্ক যৌন অভিমুখিতা নির্ধারণ করা যায় না। যৌন অভিমুখিতার কোনো পরিচয়-লেবেলও নিজে থেকে প্রমাণ করে না যে নির্দিষ্ট কেউ অপরাধ করেছেন। তদন্তকারীদের প্রতিটি ঘটনায় আচরণ ও প্রমাণ যাচাই করতে হবে; নীতিনির্ধারকদের পরিচয়ের ভিত্তিতে সমষ্টিগত ঝুঁকি অনুমান করা বা যাচাইযোগ্য সমর্থন ছাড়া কোনো দাবি পুনরাবৃত্তি করা উচিত নয়।
৩৭৭ ধারায় কী আছে, আর ২০২৬ সালে কী পরিবর্তন হয়েছে
বাংলাদেশ দণ্ডবিধিতে ৩৭৭ ধারা এখনো রয়েছে। ধারাটির ভাষায় “প্রকৃতির নিয়মবিরুদ্ধ যৌনসঙ্গম” করলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ দশ বছরের কারাদণ্ড এবং জরিমানার বিধান আছে; এতে পুরুষ, নারী বা প্রাণীর উল্লেখ রয়েছে। এটি নির্দিষ্ট ধরনের যৌনকর্মকে কেন্দ্র করে লেখা, আধুনিক শিশু-কেন্দ্রিক সুরক্ষা কাঠামো হিসেবে নয়। নির্যাতনের অভিযোগ জানানোর পূর্ণাঙ্গ ব্যবস্থা, শিশুকে প্রতিশোধ বা ভয়ভীতি থেকে রক্ষা, মানসিক আঘাত-সচেতন সহায়তা, কিংবা প্রতিষ্ঠানের প্রতিক্রিয়ার দায় নির্ধারণের সম্পূর্ণ ব্যবস্থা এই ধারায় নেই।
এখানে নির্ভুল থাকা জরুরি: ৩৭৭ ধারার ভাষা সরাসরি কোনো ব্যক্তির সমকামী বা উভকামী পরিচয়কে অপরাধ বলে ঘোষণা করে না; ধারাটি আচরণ নিয়ে। তবে অস্পষ্ট নৈতিক শ্রেণিভিত্তিক আইন অনিশ্চয়তা তৈরি করতে পারে এবং কলঙ্ক বা অপব্যবহারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। এই ঝুঁকি নিয়ে সঠিকভাবে আলোচনা করা দরকার, তবে প্রতিটি প্রয়োগের প্রভাব একরকম—এমন দাবি না করে।
আরও গুরুত্বপূর্ণ হলো, সরবরাহ করা কিছু খসড়ায় আলোচিত ২০২৫ সালের অধ্যাদেশের পর আইনি অবস্থায় পরিবর্তন এসেছে। বাংলাদেশের সরকারি আইনভান্ডারে ১০ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে প্রণীত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) লিপিবদ্ধ আছে। এতে “বলাৎকার”-এর সংজ্ঞায় কোনো ছেলে শিশুর মুখ বা পায়ুপথে যেকোনো ব্যক্তির সংঘটিত যৌনকর্ম অন্তর্ভুক্ত হয়েছে; প্রাসঙ্গিক যৌনকর্মের সংজ্ঞাও দেওয়া হয়েছে; এবং ধারা ৯-এর উদ্দেশ্যে “ধর্ষণ”-এর মধ্যে বলাৎকার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ছেলেশিশুর বিরুদ্ধে কথিত যৌন সহিংসতার ক্ষেত্রে এ বিধান সরাসরি প্রাসঙ্গিক। কোনো মামলা কোন ধারায় চলবে, তা প্রচারাভিযানের স্লোগান বা অভিযুক্তের পরিচয় সম্পর্কে অনুমানের ভিত্তিতে নয়—প্রযোজ্য আইন ও তদন্তে প্রতিষ্ঠিত তথ্যের ভিত্তিতে তদন্তকারী, প্রসিকিউটর এবং আদালত নির্ধারণ করবেন।
জরুরি অভিযোগকে বৃহত্তর রাজনৈতিক দাবির সঙ্গে গুলিয়ে ফেলবেন না
প্রকাশিত সংবাদ ও বিবৃতিতে একটি অভিযোগের কথা এসেছে; চূড়ান্ত বিচারিক সিদ্ধান্তের কথা নয়। কর্তৃপক্ষের উচিত দ্রুত ও স্বাধীন তদন্ত করা, প্রশিক্ষিত কর্মীদের মাধ্যমে শিশুর সঙ্গে সংবেদনশীল পদ্ধতিতে কথা বলা, পরিবারকে ভয়ভীতি থেকে সুরক্ষা দেওয়া, প্রাসঙ্গিক চিকিৎসা ও ডিজিটাল প্রমাণ সংরক্ষণ করা এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা, মানসিক সহায়তা ও আইনি সহায়তা দেওয়া। শিশুর নাম, ছবি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচয় বা অন্য কোনো শনাক্তকারী তথ্য প্রচার করা যাবে না।
শিশুদের নিয়ে বিবৃতিদাতাদের উদ্বেগ স্বীকার করা যায়, একই সঙ্গে বিবৃতির প্রতিটি অনুমান মেনে নেওয়া জরুরি নয়। তেমনি, অপ্রমাণিত দাবির সমালোচনা যেন ধর্মীয় মানুষ বা সব মাদ্রাসার বিরুদ্ধে বিদ্বেষে পরিণত না হয়। বহু পরিবার এসব প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভরশীল, এবং বহু শিক্ষক নিষ্ঠার সঙ্গে শিশুদের শিক্ষা দেন। মানদণ্ড সবার জন্য সমান হওয়া উচিত: মাদ্রাসা, স্কুল, কোচিং সেন্টার, ছাত্রাবাস কিংবা আবাসিক কর্মসূচি—শিশুকে শিক্ষা বা আবাসন দেয় এমন প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে কার্যকর সুরক্ষা-দায়িত্ব পালন করতে হবে।
শিশু সুরক্ষা সুশাসনের দায়িত্ব
জাতিসংঘ শিশু অধিকার সনদের ১৯ ও ৩৪ অনুচ্ছেদসহ আন্তর্জাতিক শিশু-অধিকার মানদণ্ডে শিশুদের সহিংসতা, যৌন শোষণ ও নির্যাতন থেকে রক্ষার কথা বলা হয়েছে। বাস্তবে সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এমন ব্যবস্থা দরকার, যাতে শিশু নির্ভয়ে অভিযোগ জানাতে পারে এবং অভিযোগের পর বাস্তব পদক্ষেপ নেওয়া হয়। বাংলাদেশের উচিত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও আবাসিক প্রতিষ্ঠানে স্পষ্ট শিশু-সুরক্ষা বিধি বাধ্যতামূলক করা এবং বিভিন্ন শিক্ষা ব্যবস্থার প্রতিষ্ঠানেও পৌঁছায়—এমন তদারকি নিশ্চিত করা।
- প্রশিক্ষিত শিশু-সুরক্ষা দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি নিয়োগ এবং শিশু ও পরিবারের জন্য প্রতিষ্ঠানপ্রধানের বাইরে গোপনীয় অভিযোগ জানানোর ব্যবস্থা করা।
- ছাত্রাবাস, শ্রেণিকক্ষ, যাতায়াত এবং একান্তে যোগাযোগের ক্ষেত্রে তদারকির স্পষ্ট নিয়ম করা; শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ ও পূর্বতথ্য যাচাই নথিবদ্ধ করা।
- অভিযোগ দ্রুত যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো, প্রমাণ সংরক্ষণ করা এবং শিশুকে নীরব করতে পারে—এমন প্রতিশোধ বা অনানুষ্ঠানিক মীমাংসা ঠেকানো।
- তদন্ত চলাকালে যথাযথ প্রক্রিয়া বজায় রেখে অভিযুক্ত ব্যক্তির শিশুদের সঙ্গে একান্ত বা তদারকিহীন যোগাযোগ প্রতিরোধে আনুপাতিক অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা নেওয়া।
- শিশু ও পরিবারকে দ্রুত চিকিৎসা, মানসিক আঘাত-সচেতন মনোসামাজিক সহায়তা, আইনি সহায়তা এবং প্রয়োজনীয় ব্যবহারিক সহায়তা দেওয়া।
- সুরক্ষা-ব্যবস্থা পরিদর্শন, পরিচয়-গোপন রেখে ফল প্রকাশ এবং অভিযোগ ধামাচাপা, বিলম্ব বা ভুলভাবে সামলানোর ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক দায় নির্ধারণ করা।
এসব ব্যবস্থা তাঁদের কাছ থেকে শিশুদের সুরক্ষা দেয়, যারা সামাজিক মর্যাদা, ধর্ম, লিঙ্গ বা যৌন অভিমুখিতা নির্বিশেষে বিশ্বাস ও প্রবেশাধিকারের সুযোগ নিয়ে নির্যাতন করতে পারেন। একই সঙ্গে দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠানগুলোও স্পষ্ট প্রত্যাশা ও অভিযোগ জানানোর নিয়ম পায়।
ন্যায়বিচারে প্রমাণ ও আইনের সমান সুরক্ষা দুটোই প্রয়োজন
তদন্তে তথ্য প্রতিষ্ঠিত হওয়ার আগেই “সর্বোচ্চ শাস্তি”র দাবি অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে—এমন ধারণা তৈরি করতে পারে। শিশুর জন্য ন্যায়বিচার এবং অভিযুক্তের ন্যায্য বিচার-প্রক্রিয়া পরস্পরবিরোধী নয়। কর্তৃপক্ষকে বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ সংগ্রহ করতে হবে, শিশুকে শনাক্ত করে এমন তথ্য প্রকাশ ঠেকাতে হবে, এবং প্রযোজ্য আইনে মামলাটি নিষ্পত্তি নিশ্চিত করতে হবে। আইনে ঘাটতি থাকলে সংসদের উচিত প্রমাণভিত্তিক আলোচনার মাধ্যমে তা সংশোধন করা; কোনো ক্ষতি করেননি এমন মানুষকে কলঙ্কিত করতে আইন প্রয়োগ করা যাবে না।
বাংলাদেশ ধর্মীয় স্বাধীনতা ও আইনের সমান সুরক্ষা বজায় রেখেও শিশু সুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দিতে পারে। কোনো সম্প্রদায়কে সামগ্রিকভাবে দোষারোপ না করে, বা প্রাপ্তবয়স্কদের সম্মত সম্পর্ককে শিশুদের জন্য বিপদের প্রমাণ না ধরে, নির্যাতনের নিন্দা করা সম্ভব। সংকটের প্রতীক হিসেবে কোন গোষ্ঠীকে দাঁড় করানো যায়—এটাই মূল প্রশ্ন নয়। মূল প্রশ্ন হলো, প্রতিটি শিশু নিরাপদ কি না, প্রতিটি অভিযোগ স্বাধীন কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছায় কি না, এবং শিশুদের দায়িত্বে থাকা প্রতিটি প্রতিষ্ঠান তার কর্তব্যের জবাব দেয় কি না।
সাভারের অভিযোগ প্রমাণের ভিত্তিতে তদন্ত করতে হবে। দেশের প্রতিটি মাদ্রাসা এবং শিশুদের দায়িত্বে থাকা অন্য প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের কাছে একটি বাস্তব প্রশ্ন রাখা দরকার: কী সুরক্ষা-ব্যবস্থা আছে, কে অভিযোগ গ্রহণ করেন, এবং অভিযোগ এলে এরপর কী ঘটে? জনউদ্বেগকে সুরক্ষায় রূপ দেওয়ার শুরু এখানেই।
সূত্র ও আরও পাঠ
- মূল্যবোধ আন্দোলন, “৬০০ জন বিশিষ্ট আলেমের বিবৃতি: সমকামী সহিংসতা প্রতিরোধে ৩৭৭ ধারাকে কার্যকর করতে হবে”, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬। এখানে তালিকাভুক্ত নামসহ প্রকাশিত বিবৃতির উল্লেখ করা হয়েছে; প্রত্যেকের স্বতন্ত্র সম্মতি বা সমর্থন আলাদাভাবে যাচাই করা হয়নি।
- আলাপ, “মাদ্রাসায় শিশু নিপীড়ন ঠেকাতে আলেমদের ভুল যুক্তি”, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬।
- বাংলাদেশ মেইল ২৪, ৬০০ জনের নামসংবলিত বিবৃতি নিয়ে প্রতিবেদন।
- বাংলাদেশ দণ্ডবিধি, ১৮৬০, ধারা ৩৭৭ (সরকারি আইনভান্ডার)।
- নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬, ধারা ২-এর সংজ্ঞাসমূহ (সরকারি আইনভান্ডার)।
- নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬, ধারা ৯ সংশোধন (সরকারি আইনভান্ডার)।
- বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয়, অতিরিক্ত গেজেট, ২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন, ১০ এপ্রিল ২০২৬।
- শিশু আইন, ২০১৩ (ইংরেজি অনুবাদ, ইউনিসেফ বাংলাদেশ)।
- জাতিসংঘ শিশু অধিকার সনদ, বিশেষত ১৯ ও ৩৪ অনুচ্ছেদ।
- যুক্তরাষ্ট্রের রোগনিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র (CDC), “About Child Sexual Abuse.”
- অস্ট্রেলিয়ার প্রাতিষ্ঠানিক শিশু যৌন নির্যাতনবিষয়ক রয়্যাল কমিশন, চূড়ান্ত প্রতিবেদন।
প্রকাশিত সংবাদে আসা ঘটনাটি এখানে অভিযোগ হিসেবেই উল্লেখ করা হয়েছে। এই নিবন্ধ কোনো ব্যক্তির অপরাধ নির্ধারণ করে না এবং নির্দিষ্ট মামলার আইনি পরামর্শ নয়। বর্তমান আইনের নির্ভুল পাঠের জন্য বাংলাদেশের সরকারি আইনভান্ডার ও গেজেট দেখতে হবে।

No comments:
Post a Comment
Please validate CAPTCHA