Skip to main content
Breaking NewsDeveloping public-interest story

Latest

Thursday, August 13, 2026

Reading time

ডিসি পদ পেতে ৭০ কোটি টাকার চুক্তির অভিযোগ নিয়ে নথি, চেক ও হোয়াটসঅ্যাপ বার্তার বিশ্লেষণ

চট্টগ্রামের ডিসি হতে কত লাগে? মাত্র ৭০ কোটি টাকা — একটি অনুসন্ধান ও আইনের শাসনের বিশ্লেষণ | মিনহাজ সামাদ চৌধুরী
ডেইলি ওয়াদা — অনুসন্ধান ও আইনের শাসন ডেস্ক
১২ আগস্ট ২০২৬ | অনুসন্ধানী প্রতিবেদন
অনুসন্ধান • জনপ্রশাসন • আইনের শাসন

চট্টগ্রামের ডিসি হতে কত লাগে? মাত্র ৭০ কোটি টাকা! একটি কথিত চুক্তির অনুসন্ধান ও বিশ্লেষণ

নথি বলছে, বাংলাদেশের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত মাঠ প্রশাসনের পদ পেতে ৭০ কোটি টাকার চুক্তি, স্বাক্ষরিত চেক জামানত এবং ১৮ মাসে “কাজের মাধ্যমে” ১৪০ কোটি টাকা ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি। এই কাগজপত্র ব্যক্তিগত অপরাধের চেয়ে প্রশাসনিক সততার বড় প্রশ্ন তোলে।

মূল তথ্য: (১) ২৮তম ব্যাচের একজন উপসচিব, যিনি ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষে বদলি হন, তার বিরুদ্ধে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক পদ পেতে অর্থ লেনদেনের চেষ্টার অভিযোগ সংক্রান্ত নথি পাওয়া গেছে। (২) ১৬ জুলাই তারিখের একটি নথিতে ৭০ কোটি টাকার চুক্তি এবং ১৮ মাসে ১৪০ কোটি টাকা “কাজের মাধ্যমে” ফেরত দেওয়ার অঙ্গীকারের কথা বলা হয়েছে। (৩) জামানত হিসেবে ১২টি চেক, মোট ১৬.৫ কোটি টাকা। (৪) নথিগুলো প্রমাণ করে না যে টাকা লেনদেন হয়েছে বা পদ কেনা হয়েছে, এবং কিছু দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। (৫) বন্দর কর্তৃপক্ষ একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।

১. ভূমিকা

চুক্তিপত্র, ব্যাংক চেক এবং ব্যক্তিগত বার্তার একটি সংগ্রহ বাংলাদেশের আমলাতন্ত্রে প্রভাবশালী পদ পাওয়ার জন্য কোটি কোটি টাকার লেনদেনের একটি কথিত বাজারের চিত্র তুলে ধরেছে।

নথির কেন্দ্রে আছেন সালাহউদ্দিন আহমেদ, প্রশাসন ক্যাডারের ২৮তম ব্যাচের একজন উপসচিব, যিনি গত বছরের শেষে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষে বদলি হন। ডেইলি ওয়াদার হাতে আসা নথি অনুযায়ী, তিনি চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেতে বিপুল অর্থ দেওয়ার চেষ্টা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

এই বিশ্লেষণের উদ্দেশ্য দোষী সাব্যস্ত করা নয়, বরং নথিগুলো কী বলছে, বাংলাদেশের আইনে সেগুলো কী প্রমাণ করতে পারে বা পারে না, এবং যখন প্রশাসনিক পদ লেনদেনযোগ্য হয়ে ওঠে তখন কী ধরনের পদ্ধতিগত ঝুঁকি তৈরি হয় তা খতিয়ে দেখা।

২. নথিপত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য

ঘটনাপ্রবাহ

২৪ নভেম্বর ২০২৫
১০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে সালাহউদ্দিন আহমেদ (তৎকালীন উপসচিব, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়) এবং আহমেদ শাকিল খান (ধানমন্ডি, ঢাকা) এর মধ্যে চুক্তি। চট্টগ্রাম বন্দরে ব্যবসায়িক সুযোগের সাথে যুক্ত ৪ কোটি টাকা ঋণের কথা উল্লেখ, জামানত হিসেবে সিটি ব্যাংকের ২ কোটি টাকা করে ২টি চেক।
১৭ ডিসেম্বর ২০২৫
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের আদেশে সালাহউদ্দিনকে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষে পরিচালক হিসেবে বদলি।
২৩ ডিসেম্বর ২০২৫
তিনি যোগদান করেন, কিন্তু পরিচালকের কোনো শূন্য পদ ছিল না।
৮ জানুয়ারি ২০২৬
প্রশাসনিক প্রয়োজনে তাকে স্টোর কন্ট্রোলার হিসেবে পদায়ন।
জানুয়ারি ২০২৬
কথিত হোয়াটসঅ্যাপ বার্তা: “আমাকে একটা পদের কথা বলে অন্য জায়গায় ডিমোশন দিয়ে দিয়েছে... আমি এখন নিঃস্ব... আমি জানি কে আমার অর্ডার করিয়েছে... সে রাজনৈতিক ব্যক্তি এবং প্রধানমন্ত্রীর খুব কাছের।” — স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি।
২৯ মার্চ ২০২৬
চট্টগ্রামের ডিসি হিসেবে নিয়োগ পেলে আপত্তি নেই মর্মে লিখিত ঘোষণা এবং মো. হাবিবুর রহমানকে (বাউফল, পটুয়াখালী) প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ।
১৬ জুলাই ২০২৬
কথিত স্বাক্ষরযুক্ত নথি, যেখানে চট্টগ্রামের ডিসি পদ পাওয়ার সাথে ৭০ কোটি টাকার চুক্তি এবং ১৮ মাসে “কাজের মাধ্যমে” ১৪০ কোটি টাকা ফেরত দেওয়ার অঙ্গীকার।

আর্থিক জামানত

নথিতে ১২টি চেকের কথা বলা হয়েছে, মোট ১৬.৫ কোটি টাকা:

  • ৫টি চেক সোনালী ব্যাংক, বগুড়া কর্পোরেট শাখা — মোট ১১.৫ কোটি টাকা
  • ৭টি চেক সিটি ব্যাংক — মোট ৫ কোটি টাকা

এছাড়া মধ্যস্থতাকারীদের আশ্বস্ত করতে সরকারি সিল ও স্বাক্ষরযুক্ত সার্ভিস প্রোফাইল এবং তার বোন জিনিয়াত খাতুনের জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি দেওয়ার কথাও নথিতে উল্লেখ আছে।

৩. সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য ও প্রাতিষ্ঠানিক পদক্ষেপ

যোগাযোগ করা হলে সালাহউদ্দিন প্রথমে অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তার ফোন হ্যাক হয়েছে, চেক হারিয়েছে এবং জাতীয় পরিচয়পত্র চুরি হয়েছে। পরে তিনি স্বীকার করেন যে সচিবালয়ে বিভিন্ন গ্রুপ কর্মকর্তাদের কাছে নানা অফার নিয়ে ঘুরে বেড়ায়, যদিও এটি পদ কেনার স্বীকারোক্তি নয়।

“সচিবালয়ে বেশ কয়েকটি গ্রুপ প্রতিনিয়ত বিভিন্ন অফার নিয়ে কর্মকর্তাদের রুমে রুমে ঘুরছে। এ ধরনের ঘটনা সবসময় ঘটছে, এখনো ঘটছে। অস্বীকার করে লাভ নেই। এগুলো ঘটছে বলেই আপনি এই নথিগুলো পেয়েছেন।”

তিনি স্বীকার করেন, কথিত হ্যাকিং ও চুরির বিষয়ে তিনি কোনো আইনি পদক্ষেপ নেননি: “এসব বিষয়ে কোনো আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। কিন্তু নেওয়া উচিত ছিল। এটা আমার ভুল ছিল।”

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম নিশ্চিত করেছেন যে অভিযোগ পাওয়ার পর একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। “তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে,” তিনি ওয়াদাকে বলেন।

আইনের শাসনের নোট: প্রমাণের সীমাবদ্ধতা

মূল প্রতিবেদনে স্পষ্ট বলা হয়েছে: নথিগুলো প্রমাণ করে না যে প্রতিশ্রুত পদগুলো আসলেই কেনা হয়েছে, এবং কিছু দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। স্বাক্ষরিত চেক বা চুক্তি একা প্রমাণ করে না যে অর্থ স্থানান্তর হয়েছে, এবং নথিতে ব্যাংক রেকর্ড নেই যা নিশ্চিত করে যে চেকগুলো জমা বা ক্লিয়ার হয়েছে।

তাই এই ধরনের অভিযোগ প্রকাশের ক্ষেত্রে নির্দোষতার অনুমান, যাচাইয়ের মান এবং নথির অস্তিত্ব বনাম লেনদেনের প্রমাণের পার্থক্য কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে।

৪. আইনের শাসনের দৃষ্টিকোণ থেকে বিশ্লেষণ

১. ডিসি নিয়োগের আইনি কাঠামো

বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের নিয়ম অনুযায়ী, জেলা প্রশাসক নিয়োগ দেয় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, জ্যেষ্ঠতা, কর্মদক্ষতা, সততার প্রতিবেদন এবং প্রশাসনিক প্রয়োজনের ভিত্তিতে। এই পদ কোনো বাণিজ্যিক ইজারা নয়। এটি পাওয়ার জন্য অর্থ প্রদান করা হলে সম্ভাব্যভাবে লঙ্ঘিত হতে পারে:

  • দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এবং দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪
  • বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস আচরণ বিধিমালা এবং সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা
  • মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, যদি “কাজের মাধ্যমে পরিশোধ” এর আড়ালে অবৈধ আয়ের বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা হয়

একজন ডিসি, যার বেতন সরকার নির্ধারিত, তিনি কীভাবে ১৮ মাসে “কাজের মাধ্যমে” ১৪০ কোটি টাকা বৈধভাবে আয় করতে পারেন — এই প্রশ্নের কোনো বৈধ উত্তর নেই। ডিসির কাজ রাজস্ব প্রশাসন, ম্যাজিস্ট্রেসি এবং উন্নয়ন সমন্বয়, মুনাফা উৎপাদন নয়।

২. সম্পত্তির অধিকার ও আর্থিক উপকরণ

নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প এবং ব্যাংক চেককে জামানত হিসেবে ব্যবহার একটি কথিত অবৈধ দরকষাকষিকে আধা-চুক্তিভিত্তিক রূপ দেয়। চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ২৩ ধারা অনুযায়ী, অবৈধ উদ্দেশ্যে কোনো চুক্তির প্রতিদান বাতিল বলে গণ্য হয়।

৩. শাসন কাঠামো ও প্রাতিষ্ঠানিক দখল

সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো “পদ বাণিজ্যের বাজার” এর অভিযোগ। যদি সত্যিই “গ্রুপ” সচিবালয়ে ঘুরে ঘুরে অফার দিয়ে বেড়ায়, তাহলে:

  • প্রিন্সিপাল-এজেন্ট ব্যর্থতা: রাষ্ট্র (প্রিন্সিপাল) পদ বণ্টনের উপর নিয়ন্ত্রণ হারায়।
  • স্বার্থের সংঘাত: রাজনৈতিক ঘনিষ্ঠতার দাবি করা মধ্যস্থতাকারীরা রাজনীতি ও প্রশাসনের সীমা ঝাপসা করে দেয়।
  • জবাবদিহিতার ঘাটতি: কেন একজন কর্মকর্তা অন্যের চেয়ে অগ্রাধিকার পেলেন, তার স্বচ্ছ মানদণ্ড ও প্রকাশ্য ব্যাখ্যার অভাব।

৪. যথাযথ প্রক্রিয়া

আইনের শাসনসম্মত প্রতিক্রিয়ার জন্য প্রয়োজন:

  1. স্বাধীন, সময়াবদ্ধ তদন্ত এবং হুইসেলব্লোয়ার সুরক্ষা
  2. স্বাক্ষর, স্ট্যাম্প এবং হোয়াটসঅ্যাপ মেটাডেটার ফরেনসিক যাচাই
  3. ব্যাংক থেকে নিশ্চিতকরণ — চেকগুলো উপস্থাপন করা হয়েছিল কিনা
  4. অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে শুনানির সুযোগ এবং কথিত চুরি/হ্যাকিংয়ের জিডি উপস্থাপনের সুযোগ
  5. চলমান তদন্তের ক্ষতি না করে ফলাফল প্রকাশ

৫. বৃহত্তর প্রভাব

যদি এই ধরনের ব্যবস্থা স্বাভাবিক হয়ে যায়, তাহলে ক্ষতি একটি পদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। একজন ডিসি ভূমি অধিগ্রহণ, হাট-বাজার ইজারা, সরকারি ঠিকাদারি তদারকি এবং ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ করেন। যাকে “কাজের মাধ্যমে” ১৪০ কোটি টাকা তুলতে হবে, তিনি কাঠামোগতভাবে চাঁদাবাজির দিকে প্ররোচিত হবেন। শেষ পর্যন্ত ভুক্তভোগী হবেন সাধারণ নাগরিক — ভূমির নামজারি, লাইসেন্স, ত্রাণ বিতরণে।

৬. সুরক্ষা জোরদারে সুপারিশ

  • ডিসি নিয়োগের মানদণ্ড ও সংক্ষিপ্ত তালিকা প্রকাশ: এসিআর স্কোর, দুদকের শুদ্ধাচার ছাড়পত্র এবং কর্মদক্ষতার ভিত্তিতে যুক্তিসঙ্গত আদেশ।
  • সম্পদ বিবরণী যাচাই: মাঠ পদায়নের আগে ও পরে ডিসি, এসপি এবং বন্দর পরিচালকদের জন্য বাধ্যতামূলক।
  • সচিবালয়ে প্রবেশ লগ: দালালদের জন্য ভিজিটর ম্যানেজমেন্ট এবং মধ্যস্থতাকারীদের ঘোষণা বাধ্যতামূলক।
  • সন্দেহজনক লেনদেন রিপোর্টিং: বড় অঙ্কের জামানত চেকের ক্ষেত্রে ব্যাংক শাখাগুলোর জন্য বিএফআইইউতে রিপোর্টিং প্রশিক্ষণ।
  • হুইসেলব্লোয়ার পোর্টাল: পদ কেনা-বেচার প্রস্তাবের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অধীনে স্বাধীন বেনামী রিপোর্টিং ব্যবস্থা।

৭. উপসংহার

এই মামলায় নথিগুলো একটি বাজারের অভিযোগ তুলেছে, শুধু একটি অনিয়মের নয়। ৭০ কোটি টাকার চুক্তি এবং ১৪০ কোটি টাকা ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি খাঁটি, কার্যকর বা বাস্তবায়িত হয়েছে কিনা তা ফরেনসিক ও আর্থিক তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারণ করতে হবে।

তবে ইতিমধ্যেই স্পষ্ট যে, এই ধরনের চুক্তির সম্ভাবনাই — এবং কর্মকর্তার নিজের স্বীকারোক্তি যে সচিবালয়ে নিয়মিত এমন অফার ঘুরছে — শাসন ব্যবস্থার একটি দুর্বলতাকে নির্দেশ করে, যার জন্য প্রশাসনিক বদলি নয়, আইনের শাসনের ভিত্তিতে প্রতিক্রিয়া প্রয়োজন।

বাংলাদেশের আমলাতন্ত্রের জন্য প্রশ্ন শুধু কে চট্টগ্রামের ডিসি হচ্ছেন তা নয়, বরং নাগরিকরা বিশ্বাস করতে পারছেন কিনা যে যিনি হচ্ছেন, তিনি জনগণের ট্রাস্টি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন, কোনো ব্যক্তিগত অর্থলগ্নিকারীর দেনাদার হিসেবে নয়।

সূত্র: ২৪ নভেম্বর ২০২৫ তারিখের নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প চুক্তি; ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখের বদলির আদেশ; ২৯ মার্চ ২০২৬ তারিখের ঘোষণা; ১৬ জুলাই ২০২৬ তারিখের নথি; ১২টি চেক (সোনালী ব্যাংক ও সিটি ব্যাংক) মোট ১৬.৫ কোটি টাকা; হোয়াটসঅ্যাপ স্ক্রিনশট; সালাহউদ্দিন আহমেদ এবং সৈয়দ রেফায়েত হামিমের সাক্ষাৎকার। সব নথি ডেইলি ওয়াদার মাধ্যমে প্রাপ্ত। ১২ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত ব্যাংক ক্লিয়ারেন্স ও ফরেনসিক যাচাই মুলতবি।
সম্পাদকীয় নোট: এই নিবন্ধটি ডেইলি ওয়াদার পর্যালোচনা করা নথিতে থাকা অভিযোগ নিয়ে প্রতিবেদন। এটি প্রমাণ হিসেবে দাবি করে না যে অর্থ প্রদান, গ্রহণ বা কোনো পদ কেনা হয়েছে। উল্লিখিত ব্যক্তি যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় দোষী প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত নির্দোষ বলে গণ্য হবেন। ৭০ কোটি টাকার অঙ্কটি একটি নথিতে উল্লিখিত পরিমাণ, নিশ্চিত লেনদেন নয়।
MC
লেখক সম্পর্কে
মিনহাজ সামাদ চৌধুরী সিলেট ভিত্তিক একজন আইন গবেষক ও আইনের শাসন বিশ্লেষক। তিনি প্রশাসনিক আইন, দুর্নীতি প্রতিরোধ কাঠামো এবং সম্পত্তির অধিকার ও শাসন কাঠামোর সংযোগ নিয়ে কাজ করেন। দক্ষিণ এশিয়ায় জনপ্রশাসনের জবাবদিহিতা ও মৌলিক অধিকার সুরক্ষা তার গবেষণার মূল ক্ষেত্র।

যোগাযোগ: info.hrdefender@gmail.com | প্রকাশনা ও উদ্ধৃতির জন্য লেখক এবং মূল অনুসন্ধানকারী জুলকারনাইন সায়ের / ডেইলি ওয়াদাকে ক্রেডিট দিন।
© ২০২৬ ডেইলি ওয়াদা ইনভেস্টিগেশন ডেস্ক। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। জনস্বার্থে সাংবাদিকতা ও আইনের শাসন বিষয়ক গবেষণার জন্য প্রস্তুত। উৎস উল্লেখ করে পুনঃপ্রকাশ অনুমোদিত। এই নিবন্ধটি আইনি পরামর্শ নয়।

No comments:

Post a Comment

Please validate CAPTCHA