অস্ট্রেলিয়া: চীনা সরকারের হুমকির মুখে উইগুর প্রবাসী সম্প্রদায়
Australia: Chinese Government Menaces Uyghur Diaspora
০১ভূমিকা
অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত প্রায় ৫,০০০ উইগুর নাগরিক আজ এমন এক বাস্তবতার মুখোমুখি, যা কোনো গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্য মেনে নেওয়া কঠিন। তারা অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক বা স্থায়ী বাসিন্দা, কর দেন, সন্তানদের স্কুলে পাঠান — তবুও হাজার হাজার কিলোমিটার দূরে অবস্থিত একটি কর্তৃত্ববাদী রাষ্ট্রের নজরদারি ও হুমকির ছায়া তাদের দৈনন্দিন জীবনকে গ্রাস করছে। এটি কেবল একটি প্রবাসী সম্প্রদায়ের মানবাধিকার সংকট নয়; এটি সরাসরি অস্ট্রেলিয়ার সার্বভৌমত্ব, আইনের শাসন এবং নাগরিকদের সুরক্ষা দেওয়ার সাংবিধানিক দায়িত্বের প্রশ্ন।
হিউম্যান রাইটস ওয়াচের (HRW) সাম্প্রতিক অনুসন্ধান আবারও স্পষ্ট করেছে যে, চীনা সরকারের শিনজিয়াং-কেন্দ্রিক দমন-পীড়নের নীতি সীমান্ত পেরিয়ে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতেও বিস্তৃত। যখন কোনো বিদেশি সরকার অস্ট্রেলিয়ার ভেতরে বসবাসরত মানুষকে তাদের পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে ব্ল্যাকমেইল করে, তখন প্রশ্ন ওঠে — আমাদের নাগরিকদের নিরাপত্তা আসলে কে নিশ্চিত করছে?
০২ভয়ের স্থাপত্য: নজরদারি, জিজ্ঞাসাবাদ ও ভীতি প্রদর্শন
HRW ২০২৬ সালের এপ্রিল-মে মাসে সিডনি, মেলবোর্ন ও অ্যাডিলেডে বসবাসরত ১১ জন উইগুর অস্ট্রেলিয়ানের গভীর সাক্ষাৎকার নেয়। তাদের বর্ণনা প্রায় অভিন্ন একটি কাঠামোকে সামনে আনে — যাকে আমি বলি ‘ভয়ের স্থাপত্য’। ২০২৪ সাল থেকে চীন একটি বিশেষ ভিসা-ফ্রি কর্মসূচির আওতায় প্রবাসী উইগুরদের পরিবারের সদস্যদের চীন ভ্রমণের অনুমতি দিচ্ছে, কিন্তু এই অনুমতি আসলে একটি ফাঁদ।
- •পরিবারের সদস্যদের সরকার নির্ধারিত হোটেলে থাকতে বাধ্য করা, দৈনিক পুলিশ স্টেশনে রিপোর্ট করানো
- •একটানা ৭ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে জিজ্ঞাসাবাদ, অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত আত্মীয়ের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে তথ্য আদায়
- •অস্ট্রেলিয়ায় কর্মরত উইগুরদের ঠিকানা, ফোন নম্বর, কর্মস্থলের বিবরণ সংগ্রহ এবং তাদের ছবি তোলার জন্য চাপ প্রয়োগ
- •অ্যাডিলেড, সিডনি, মেলবোর্ন ও ব্রিসবেনে উইগুর ভাষা স্কুল এবং কমিউনিটি সংগঠনের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের নির্দেশ
এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এটি একটি সুপরিকল্পিত পদ্ধতি — যেখানে প্রবাসী সম্প্রদায়কে তথ্যদাতায় পরিণত করার চেষ্টা হয়, আর অস্বীকৃতির মূল্য দিতে হয় দেশে থাকা মা-বাবা, ভাই-বোনকে।
০৩নথিভুক্ত প্রমাণ: প্রবাসীদের অভিজ্ঞতা
নথিভুক্ত সাক্ষ্যে সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হয়েছে বাধ্যবাধকতার ভাষা। একজন ভুক্তভোগীর ভাষায় —
“তোমাকে কিছু না কিছু দিতেই হবে।”
আরেকজন বলেন, নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সামনে বসে তিনি ভাবছিলেন —
“আমি কীভাবে না বলি? না বললে আমার মায়ের কী হবে?”
এই চাপের মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব গভীর। অনেক পরিবারে ঈদের সময় মসজিদ বন্ধ রাখা হয়েছে, যাতে ‘ধর্মীয় উগ্রতা’র অভিযোগ না ওঠে। একজন মা জানালেন, তার ৬ বছরের শিশু এখন শুধু মান্দারিন ভাষায় কথা বলে — কারণ উইগুর ভাষায় কথা বললে স্কুলে শাস্তি পেতে হয়। এই সাংস্কৃতিক মুছে ফেলার প্রক্রিয়া প্রবাসীদের জন্য আরও বেদনাদায়ক, কারণ তারা জানেন, তাদের সংস্কৃতি টিকিয়ে রাখার শেষ আশ্রয়স্থল ছিল এই প্রবাসই।
প্রাসঙ্গিক ইতিহাস: ১৯৯২ সালে অ্যাডিলেডে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম উইগুর ভাষা স্কুল প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল — যা ছিল সাংস্কৃতিক পরিচয় রক্ষার এক সাহসী উদ্যোগ। আজ সেই স্কুলগুলোই নজরদারির টার্গেট।
০৪পরিবার বিচ্ছেদকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার
চীনা কর্তৃপক্ষের সবচেয়ে কার্যকর অস্ত্র হলো পরিবারকে জিম্মি করা। ‘জাতিগত ঘৃণা উসকে দেওয়া’ বা ‘বিচ্ছিন্নতাবাদ’—এর মতো অস্পষ্ট অভিযোগে স্বেচ্ছাচারীভাবে দীর্ঘ কারাদণ্ড দেওয়া হচ্ছে। HRW-এর সাক্ষাৎকারে উঠে এসেছে, অনেক উইগুর অস্ট্রেলিয়ান ১০ বছরের বেশি সময় ধরে তাদের বাবা-মায়ের সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে পারেননি।
যখন যোগাযোগ হয়, তখনও তা স্বাভাবিক নয়। ফোন কলের পাশে সরকারি কর্মকর্তা দাঁড়িয়ে থাকেন, কথোপকথন রেকর্ড করা হয়, এবং পরিবারের সদস্যকে শিখিয়ে দেওয়া হয় কী বলতে হবে। অনেক ক্ষেত্রে ‘মুক্তি’ দেওয়া হলেও তা আসলে ‘মুক্তি নয় এমন মুক্তি’ — গৃহবন্দিত্ব, চলাচলে নিষেধাজ্ঞা, নিয়মিত হাজিরা। এই অবস্থা প্রবাসী পরিবারগুলোর মধ্যে স্থায়ী উদ্বেগ, অপরাধবোধ এবং ট্রমা তৈরি করছে।
০৫ভূ-রাজনৈতিক মাত্রা ও গভর্ন্যান্সের প্রভাব
আন্তর্জাতিক আইনের ভাষায় এই ঘটনাকে বলা হয় আন্তঃরাষ্ট্রীয় দমন-পীড়ন (Transnational Repression) — যখন কোনো রাষ্ট্র তার সীমান্তের বাইরে বসবাসরত ব্যক্তিদের অধিকার হরণ, ভীতি প্রদর্শন বা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। এটি অস্ট্রেলিয়ার মতো উদার গণতন্ত্রের ভিত্তির উপর সরাসরি আঘাত।
উদ্বেগ আরও বাড়ছে ২০২৬ সালের জুলাই থেকে কার্যকর হতে যাওয়া চীনের ‘জাতিগত ঐক্য ও অগ্রগতি প্রচার আইন’-এর ৬৩ ধারার কারণে। এই ধারা বহির্ভূত প্রয়োগের (extraterritorial application) সুযোগ তৈরি করে, যার মাধ্যমে বিদেশে বসবাসরত উইগুরদের কার্যক্রমকেও ‘জাতিগত ঐক্য বিনষ্টকারী’ হিসেবে চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনার চেষ্টা হতে পারে। এটি আন্তর্জাতিক আইনের সার্বভৌম সমতার নীতির পরিপন্থী।
আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন
এই ধরনের হস্তক্ষেপ নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক চুক্তি (ICCPR)-এর একাধিক ধারার লঙ্ঘন: ধারা ১৭ (গোপনীয়তা ও পরিবারের সুরক্ষা), ১৮ (ধর্ম ও বিবেকের স্বাধীনতা), ১৯ (মত প্রকাশের স্বাধীনতা), ২১ ও ২২ (শান্তিপূর্ণ সমাবেশ ও সংগঠনের অধিকার), এবং ২৭ (সংখ্যালঘু সংস্কৃতি রক্ষার অধিকার)।
প্রেক্ষাপট ভুলে গেলে চলবে না: শিনজিয়াংয়ে সংঘটিত হচ্ছে গণ নির্বিচার আটক, ব্যাপক নজরদারি, জোরপূর্বক শ্রম ও সাংস্কৃতিক নিধন — যা জাতিসংঘ মানবাধিকার হাইকমিশনের ৩১ আগস্ট ২০২২ প্রতিবেদনে ‘গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন’ এবং সম্ভাব্য মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
০৬নীতিগত ঘাটতি ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া
অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান প্রতিক্রিয়া কাঠামোতে কিছু ইতিবাচক পদক্ষেপ আছে, কিন্তু তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। আইনগতভাবে Criminal Code Act 1995 এর অধীনে বিদেশি হস্তক্ষেপের সংজ্ঞায় বলা হয়েছে — যদি কোনো বিদেশি শক্তি অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত ব্যক্তিকে বিদেশে থাকা তার পরিবারের ক্ষতির হুমকি দিয়ে জবরদস্তি করে, তবে তা অপরাধ। এছাড়া সরকার যৌথ বিবৃতি, কমিউনিটি আউটরিচ এবং ন্যাশনাল সিকিউরিটি হটলাইন (১৮০০ ১২৩ ৪০০) চালু রেখেছে।
কিন্তু বাস্তবে এই ব্যবস্থা কাজ করছে না। কেন? প্রথমত, রিপোর্টিংয়ে ভয়। উইগুর সম্প্রদায়ের অনেকেই বিশ্বাস করেন, রিপোর্ট করলে তাদের পরিবারের উপর প্রতিশোধ আরও বাড়বে। দ্বিতীয়ত, ভাষাগত ও সাংস্কৃতিক বাধা। তৃতীয়ত, মানসিক স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব — দীর্ঘমেয়াদী উদ্বেগ, ঘুমহীনতা, সামাজিক বিচ্ছিন্নতা — যা নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলা কঠিন।
একটি ব্যতিক্রমী আশার গল্প আছে — সাদাম আব্দুসালামের। ২০২০ সালের ডিসেম্বরে দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর তিনি তার পরিবারের সঙ্গে পুনর্মিলিত হতে পেরেছিলেন। কিন্তু এই ঘটনা নিয়ম নয়, ব্যতিক্রম। বেশিরভাগ পরিবারের গল্প এখনো বিচ্ছেদের।
০৭মানবাধিকার, জাতীয় নিরাপত্তা ও কূটনীতির সংযোগ
এই ইস্যুকে কেবল ‘মানবাধিকার’ বা কেবল ‘জাতীয় নিরাপত্তা’ হিসেবে আলাদা করে দেখলে ভুল হবে। উইগুর অস্ট্রেলিয়ানদের সুরক্ষা দেওয়া একই সঙ্গে একটি মানবাধিকার বাধ্যবাধকতা এবং জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্ন। যখন বিদেশি রাষ্ট্র অস্ট্রেলিয়ার ভেতরে নাগরিকদের ভয় দেখাতে পারে, তখন তা আমাদের গণতান্ত্রিক স্থিতিশীলতাকে দুর্বল করে।
কূটনৈতিক বাস্তবতা অস্বীকার করা যায় না। বেইজিংয়ের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু ভারসাম্য মানে নীরবতা নয়। একটি নীতিনিষ্ঠ পররাষ্ট্রনীতি মানেই হলো — বাণিজ্য চলবে, কিন্তু আমাদের নাগরিকদের মৌলিক অধিকার নিয়ে কোনো আপস হবে না। মানবাধিকার নিয়ে স্পষ্ট অবস্থান নেওয়া দুর্বলতা নয়, বরং একটি আত্মবিশ্বাসী গণতন্ত্রের পরিচয়।
০৮সুপারিশমালা
HRW-এর সুপারিশের আলোকে এবং একজন নীতি বিশ্লেষক হিসেবে আমার পর্যবেক্ষণ থেকে অস্ট্রেলিয়ান সরকারের জন্য আটটি সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ প্রস্তাব করছি:
উইগুর অস্ট্রেলিয়ানদের জন্য নির্দিষ্ট ভ্রমণ পরামর্শ
Smartraveller-এ উইগুর বংশোদ্ভূত অস্ট্রেলিয়ানদের জন্য আলাদা ঝুঁকি নির্দেশিকা প্রকাশ করতে হবে — যেখানে হোটেল আটক, জিজ্ঞাসাবাদ, ডিভাইস তল্লাশির ঝুঁকি স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকবে।
আন্তঃরাষ্ট্রীয় দমন-পীড়নের উপর স্বতন্ত্র আইন
Criminal Code-এর সাধারণ ধারার উপর নির্ভর না করে, মানবাধিকার মানদণ্ড মেনে চলা একটি স্বতন্ত্র আইন প্রণয়ন করতে হবে, যাতে ভুক্তভোগী-কেন্দ্রিক সুরক্ষা ও দ্রুত প্রতিকার নিশ্চিত হয়।
প্রকাশ্য প্রতিবেদন ও জবাবদিহিতা
বছরে অন্তত একবার আন্তঃরাষ্ট্রীয় দমন-পীড়ন সংক্রান্ত প্রকাশ্য প্রতিবেদন, এবং প্রমাণের ভিত্তিতে টার্গেটেড নিষেধাজ্ঞা, ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা ও ভিসা প্রত্যাখ্যানের ব্যবস্থা।
নিরাপদ ও গোপনীয় রিপোর্টিং চ্যানেল
উইগুর, তিব্বতি ও অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ প্রবাসী সম্প্রদায়ের জন্য বহুভাষিক, এনক্রিপ্টেড, বেনামী রিপোর্টিং ব্যবস্থা — যা সরাসরি AFP ও ASIO-এর বিশেষ ইউনিটে যাবে।
মনোসামাজিক, ডিজিটাল নিরাপত্তা ও আইনি সহায়তা
ট্রমা-ইনফর্মড কাউন্সেলিং, ডিভাইস সুরক্ষা প্রশিক্ষণ, এবং বিনামূল্যে অভিবাসন ও ফৌজদারি আইনি সহায়তার জন্য একটি ডেডিকেটেড তহবিল।
শিনজিয়াংয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের প্রকাশ্য নিন্দা
জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিল ও দ্বিপাক্ষিক ফোরামে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষ থেকে স্পষ্ট ভাষায় নিন্দা এবং স্বাধীন তদন্তের দাবি পুনর্ব্যক্ত করা।
০৯উপসংহার
অস্ট্রেলিয়ায় উইগুর সম্প্রদায়ের উপর চীনা সরকারের এই চাপ কোনো দূরবর্তী ভূ-রাজনীতির গল্প নয় — এটি আমাদের প্রতিবেশী, সহকর্মী ও সহপাঠীদের দৈনন্দিন বাস্তবতা। এই সংকটের সমাধান আবেগী বক্তব্যে নয়, বরং পরিমিত, প্রমাণ-ভিত্তিক ও জরুরি নীতিগত পদক্ষেপে।
যখন একটি পরিবার ১০ বছর ধরে বিচ্ছিন্ন থাকে, যখন একটি শিশুকে তার মাতৃভাষা ভুলে যেতে বাধ্য করা হয়, যখন ঈদের নামাজের জন্য মসজিদ বন্ধ রাখতে হয় — তখন নীরব থাকা কোনো বিকল্প নয়। অস্ট্রেলিয়া যদি সত্যিই বহুসাংস্কৃতিক, ন্যায়ভিত্তিক ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে নিজের পরিচয় রক্ষা করতে চায়, তবে উইগুর অস্ট্রেলিয়ানদের পাশে দাঁড়ানো এখনই জরুরি। কারণ তাদের নিরাপত্তাই আমাদের গণতন্ত্রের নিরাপত্তা।
টীকা ও তথ্যসূত্র
- Human Rights Watch, “Australia: Chinese Government Threatens Uyghur Diaspora,” May 2026. সিডনি, মেলবোর্ন, অ্যাডিলেডে ১১ জন উইগুর অস্ট্রেলিয়ানের সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে প্রণীত।
- জাতিসংঘ মানবাধিকার হাইকমিশন (OHCHR), “Assessment of human rights concerns in the Xinjiang Uyghur Autonomous Region,” ৩১ আগস্ট ২০২২।
- Australia Criminal Code Act 1995, Division 92 – Foreign Interference offences. বিদেশি শক্তির পক্ষে জবরদস্তি ও গোপন নজরদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত।
- চীনের জাতিগত ঐক্য ও অগ্রগতি প্রচার আইন (Promoting Ethnic Unity and Progress Law), ২০২৬ সালের জুলাই থেকে কার্যকর, ধারা ৬৩ – বহির্ভূত প্রয়োগের বিধান।
- International Covenant on Civil and Political Rights (ICCPR), ধারা ১৭, ১৮, ১৯, ২১, ২২, ২৭ – অস্ট্রেলিয়া ১৯৮০ সালে অনুসমর্থন করে।
- Sadam Abdusalam case – December 2020 family reunion, widely reported as exception to systematic separation pattern.

No comments:
Post a Comment
Please validate CAPTCHA