কাঁটা গায়ে নুনের ছিটা নয়, চাই আইনের শাসন
একটি কলেজ ক্যাম্পাসে নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নেওয়ার অনুষ্ঠান কীভাবে হবে, তার গান-বাজনা থাকবে কি থাকবে না — এই প্রশ্নটি সাধারণত থাকার কথা ছিল কলেজ প্রশাসন, ছাত্র সংসদ ও অভিভাবকদের আলোচনার টেবিলে। কিন্তু ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গত কয়েক মাসে আমরা দেখলাম, এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার ধীরে ধীরে সরে যাচ্ছে প্রাতিষ্ঠানিক কর্তৃপক্ষের হাত থেকে রাস্তার চাপ এবং স্মারকলিপির হুমকির দিকে। এটি কেবল একটি জেলার স্থানীয় খবর নয় — এটি একটি রাষ্ট্রের নাগরিক স্বাধীনতা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্বায়ত্তশাসন এবং আইনের শাসনের সীমারেখা কতটা দুর্বল হয়ে পড়ছে, তার একটি পরীক্ষামূলক দলিল।
ঘটনাপ্রবাহ: তিনটি মাসে তিনটি ধাপ
গত ৩০ মে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ফিল্ম সোসাইটির আয়োজনে অন্নদা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ চলচ্চিত্রের একটি প্রদর্শনী কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদের বাধার মুখে বন্ধ হয়ে যায়, যা নিয়ে সারা দেশে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছিল। এরপর ১৮ আগস্ট জেলা পুলিশ লাইনসে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজির আগমন উপলক্ষে আয়োজিত একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে পাশের একটি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ বাধে, যাতে প্রায় ৩০ জন মাদ্রাসাশিক্ষার্থী ও কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন। সেই রাতেই জেলা পরিষদের প্রশাসকের উদ্যোগে একটি সালিশি বৈঠকে পুলিশ সুপারের দুঃখপ্রকাশ ও দায়ীদের শাস্তির আশ্বাসে বিষয়টি সাময়িকভাবে মীমাংসিত হয়। এই ঘটনার এক মাসও পার হয়নি, তার মধ্যেই ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজে ১৪ সেপ্টেম্বরের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে গানের আয়োজন নিয়ে কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদ ১১ সেপ্টেম্বর স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জেলা পরিষদের প্রশাসকের কাছে পৃথক স্মারকলিপি দিয়ে কনসার্ট বন্ধের দাবি জানায়। সংগঠনটির যুক্তি ছিল তিনটি স্তরে গাঁথা — ধর্মীয় অনুভূতি ও এলাকার সামাজিক মূল্যবোধের সঙ্গে সাংঘর্ষিক না হওয়া, অতীতে এ ধরনের অনুষ্ঠানে নিরাপত্তাজনিত দুর্ঘটনার ইতিহাস, এবং প্রায় আট-নয় বছর আগে একই কলেজের নবীনবরণ কনসার্টে এক ছাত্রীর ইভটিজিংয়ের শিকার হওয়ার প্রসঙ্গ। কলেজ অধ্যক্ষ সরাসরি কোনো স্মারকলিপি না পাওয়ার কথা জানিয়ে বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ম অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
হালনাগাদ: ১৩ সেপ্টেম্বর সংসদ সদস্যের বাসভবনে কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদ ও কলেজ কর্তৃপক্ষের বৈঠকে একটি সমঝোতা হয়েছে — নবীনবরণ ও আলোচনা সভা হবে কলেজের মূল ক্যাম্পাসে, আর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে দক্ষিণ ক্যাম্পাসের মাঠে, ‘অশ্লীলতা হবে না’ — এই শর্তে। অর্থাৎ অনুষ্ঠান পুরোপুরি বন্ধ হয়নি, তবে তার স্থান, ধরন ও শর্ত নির্ধারিত হয়েছে একটি চাপ-সৃষ্টিকারী সংগঠনের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে — প্রাতিষ্ঠানিক নীতিমালা বা ছাত্র প্রতিনিধিত্বমূলক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নয়।
সমস্যাটা কোথায় — সংগীত নয়, প্রক্রিয়া
এখানে একটি বিষয় স্পষ্ট করে বলা দরকার। ইভটিজিং, নারী শিক্ষার্থীর নিরাপত্তা এবং জনসমাগমস্থলে বিশৃঙ্খলার ঝুঁকি — এগুলো মোটেও তুচ্ছ উদ্বেগ নয়। একজন মানবাধিকারকর্মী হিসেবে আমি মনে করি, অতীতে কোনো ছাত্রী যদি সত্যিই হয়রানির শিকার হয়ে থাকেন, তাহলে সেই ব্যর্থতা রাষ্ট্র ও প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা-ব্যবস্থাপনার, সংগীত বা সাংস্কৃতিক আয়োজনের নিজের দোষ নয়। সমস্যার সমাধান হওয়া উচিত পর্যাপ্ত নারী স্বেচ্ছাসেবক, সুশৃঙ্খল প্রবেশ-ব্যবস্থাপনা, সিসিটিভি ও পুলিশি টহলের মাধ্যমে — সামগ্রিকভাবে অনুষ্ঠান বাতিল করে নয়। নিরাপত্তাহীনতার দায় সংস্কৃতির ওপর চাপিয়ে দেওয়া মানে প্রকৃত সমস্যা এড়িয়ে গিয়ে সহজ শিকার খোঁজা।
প্রকৃত সংকটটি তাই সংগীত-বিরোধিতায় নয় — সংকটটি সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায়। একটি রাষ্ট্রীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তার শিক্ষার্থীদের অনুষ্ঠান কীভাবে সাজাবে, তা নির্ধারিত হওয়ার কথা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিজস্ব নিয়মাবলি, ছাত্র প্রতিনিধিত্ব এবং প্রযোজ্য আইনের ভিত্তিতে। যখন এই সিদ্ধান্ত একটি নির্দিষ্ট আদর্শিক সংগঠনের আপত্তি ও দর-কষাকষির মাধ্যমে নির্ধারিত হয় — তখন গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার একটি মৌলিক নীতি লঙ্ঘিত হয়: রাষ্ট্র ও তার প্রতিষ্ঠানগুলো সকল নাগরিকের প্রতি সমানভাবে দায়বদ্ধ, কোনো একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর ভেটো-ক্ষমতার কাছে নয়।
আইনি ও সাংবিধানিক প্রেক্ষাপট
বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদ চিন্তা, বিবেক ও বাক-স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দেয়। ২৩ ও ২৪ অনুচ্ছেদে জাতীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের বিকাশ ও সংরক্ষণকে রাষ্ট্রের দায়িত্ব হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। এই অধিকারগুলো নিরঙ্কুশ নয় — জনশৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতার যুক্তিসংগত বিধিনিষেধ সংবিধানই স্বীকার করে। কিন্তু সেই বিধিনিষেধ আরোপের এখতিয়ার আইন প্রণেতা ও প্রশাসনের, কোনো বেসরকারি সংগঠনের নিজস্ব ব্যাখ্যার ভিত্তিতে রাস্তায় বা স্মারকলিপির মাধ্যমে প্রয়োগযোগ্য চাপ তৈরি করার নয়। রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এই ঘটনাকে বলা হয় ‘হেকলার্স ভেটো’ — যেখানে প্রতিবাদের হুমকি বা সহিংসতার আশঙ্কা দেখিয়ে একটি ক্ষুদ্র অংশ সংখ্যাগরিষ্ঠ বা প্রাতিষ্ঠানিক সিদ্ধান্তকে পরিবর্তন করতে বাধ্য করে। যখন প্রশাসন এই চাপের কাছে নতি স্বীকার করে, তখন এটি প্রকারান্তরে সেই কৌশলকেই পুরস্কৃত করে — এবং ভবিষ্যতে একই কৌশল আরও ব্যাপকভাবে প্রয়োগ হওয়ার পথ তৈরি করে দেয়।
সুশাসনের একটি মৌলিক শর্ত হলো — রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান কোনো একক গোষ্ঠীর সঙ্গে দর-কষাকষি করে না, বরং প্রতিষ্ঠিত নিয়ম ও সকল অংশীজনের অংশগ্রহণের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেয়। যখন একটি সংসদ সদস্যের বাসভবনে এক পক্ষের সঙ্গে বৈঠক করে একটি সরকারি কলেজের অনুষ্ঠানসূচি নির্ধারিত হয়, তখন প্রশ্ন ওঠে — সিদ্ধান্তের মালিকানা তবে কার হাতে?
একটি পুনরাবৃত্ত প্যাটার্ন এবং তার মূল্য
তিন মাসে তিনটি পৃথক ঘটনা — একটি চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, একটি পুলিশি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং এখন একটি কলেজ কনসার্ট — একটি নির্দিষ্ট এলাকায় বারবার একই ধরনের চাপের সম্মুখীন হওয়া নিছক কাকতালীয় নয়। এটি একটি প্যাটার্নের ইঙ্গিত দেয়, যেখানে প্রতিটি সফল হস্তক্ষেপ পরবর্তী হস্তক্ষেপকে আরও সহজ ও স্বাভাবিক করে তোলে। এই প্রবণতার সবচেয়ে বড় মূল্য দিতে হয় তরুণ প্রজন্মকে — বিশেষত সেই শিক্ষার্থীরা, যারা কলেজজীবনের সহজাত সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতা থেকে ক্রমশ বঞ্চিত হচ্ছে, কারণ প্রতিষ্ঠানগুলো সংঘাত এড়াতে ‘নিরাপদ’ সংকোচনের পথ বেছে নিচ্ছে। এখানে এটিও উল্লেখযোগ্য যে, কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দ নিজেরাই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি পূর্ববর্তী মন্তব্যকে যুক্তি হিসেবে ব্যবহার করেছেন এবং জেলা পরিষদের প্রশাসক ও স্থানীয় সংসদ সদস্যের কাছে সরাসরি পৌঁছাতে পেরেছেন খুব দ্রুতই — যা দেখায়, স্থানীয় প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক কাঠামোর সঙ্গে তাদের প্রবেশাধিকার যথেষ্ট সহজ। এই প্রবেশাধিকার নিজে সমস্যা নয় — সমস্যা তখনই তৈরি হয়, যখন সাধারণ শিক্ষার্থী, ছাত্রী প্রতিনিধি বা সুশীল সমাজের কণ্ঠস্বরের জন্য একই ধরনের প্রবেশাধিকার ও গুরুত্ব অনুপস্থিত থাকে।
ন্যায্যতা ও ভারসাম্যের প্রশ্ন
একজন বিশ্লেষক হিসেবে আমি এটিও বলতে বাধ্য — এই বিতর্কে অংশগ্রহণকারী সব পক্ষই একটি নির্দিষ্ট মূল্যবোধ থেকে কথা বলছে, এবং একটি বহুত্ববাদী সমাজে ধর্মীয় অনুভূতি ও সামাজিক রক্ষণশীলতার প্রতি শ্রদ্ধাও ন্যায়সংগত দাবি। কলেজ কর্তৃপক্ষ নিজেই বলেছে, তারা কোনো ‘কনসার্ট’ নয় বরং একটি নিয়ন্ত্রিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করতে চেয়েছিল, এবং শেষ পর্যন্ত যে সমঝোতা হয়েছে তাতে অনুষ্ঠান সম্পূর্ণ বাতিল হয়নি — বরং এটি একটি নিয়ন্ত্রিত পরিসরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই অর্থে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার এই নির্দিষ্ট ঘটনাটি সহিংস সংঘর্ষে রূপ নেয়নি, এবং সব পক্ষ শেষ পর্যন্ত আলোচনার টেবিলে বসেছে — যা প্রশংসনীয়। কিন্তু একটি সমাধান ‘শান্তিপূর্ণ’ হলেই তা সবসময় ‘ন্যায্য প্রক্রিয়াজাত’ হয় না। প্রশ্নটি ফলাফলের নয়, পদ্ধতির — সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়েছে কার সঙ্গে আলোচনা করে, কাদের অনুপস্থিতিতে, এবং কোন কাঠামোর মধ্য দিয়ে।
করণীয়: পথ কী হতে পারে
প্রথমত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণে একটি স্বচ্ছ, লিখিত ও অংশগ্রহণমূলক নীতিমালা থাকা প্রয়োজন — যেখানে ছাত্র সংসদ, অভিভাবক প্রতিনিধি, প্রশাসন ও প্রাসঙ্গিক ক্ষেত্রে স্থানীয় সমাজের প্রতিনিধিত্ব থাকবে, কিন্তু কোনো একক বহিরাগত সংগঠনের একতরফা ভেটো থাকবে না। দ্বিতীয়ত, নারী শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দৃশ্যমান, বাজেটভুক্ত ব্যবস্থা — নারী স্বেচ্ছাসেবক দল, পর্যাপ্ত আলো, জরুরি হটলাইন ও পুলিশি উপস্থিতি — বাধ্যতামূলক করা উচিত, যাতে নিরাপত্তার প্রশ্নে অনুষ্ঠান বাতিলই একমাত্র উত্তর না হয়ে দাঁড়ায়। তৃতীয়ত, স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের ভূমিকা হওয়া উচিত নিরপেক্ষ আইন প্রয়োগকারীর, কোনো একপক্ষীয় দর-কষাকষির মধ্যস্থতাকারীর নয়। একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মসূচি নির্ধারণ কোনো সংসদ সদস্যের ব্যক্তিগত বাসভবনে একটি সংগঠনের সঙ্গে বৈঠকের মাধ্যমে নয়, বরং প্রাতিষ্ঠানিক ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় হওয়া উচিত। চতুর্থত, গণমাধ্যম ও সুশীল সমাজের উচিত এই ধরনের ঘটনাগুলোকে বিচ্ছিন্ন স্থানীয় সংবাদ হিসেবে না দেখে একটি প্যাটার্ন হিসেবে পর্যবেক্ষণ করা এবং নথিভুক্ত করা — যাতে জাতীয় নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে এর প্রভাব মূল্যায়ন করা যায়।
উপসংহার
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার এই ঘটনাটি ছোট, স্থানীয়, এবং শেষ পর্যন্ত রক্তপাতহীন সমঝোতায় গড়িয়েছে। কিন্তু এর মধ্যে লুকিয়ে আছে একটি বড় প্রশ্ন, যা প্রতিটি নাগরিকের ভাবার কথা — যখন একটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বারবার তার নিজস্ব সিদ্ধান্ত গ্রহণের এখতিয়ার একটি নির্দিষ্ট চাপ-সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর সঙ্গে দর-কষাকষির মধ্য দিয়ে নির্ধারণ করে, তখন সেই প্রতিষ্ঠানের প্রতি আস্থা ধীরে ধীরে ক্ষয়প্রাপ্ত হয় — এবং সেই ক্ষয় কোনো একটি গানের অনুষ্ঠানের চেয়ে অনেক বেশি মূল্যবান কিছু, আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক স্বাধীনতা ও আইনের শাসনের ভিত্তিকে ক্ষয় করে। ‘কাঁটা গায়ে নুনের ছিটা’ কথাটি এই বিতর্কে ব্যবহৃত হয়েছিল একটি ভিন্ন অর্থে; কিন্তু প্রকৃতপক্ষে যে ক্ষতটি সবচেয়ে গভীর, তা সংগীত নয় — তা হলো একটি প্রতিষ্ঠানের নিজের সিদ্ধান্ত নিজে নেওয়ার সক্ষমতার ক্ষত। সেই ক্ষত সারাতে প্রয়োজন সাহসী, স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক প্রাতিষ্ঠানিক চর্চা — কোনো পক্ষের প্রতি বিদ্বেষ নয়, বরং সকল পক্ষের প্রতি সমান আইনি আচরণ।
- সমকাল, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ — মূল প্রতিবেদন
- ঢাকা ট্রিবিউন বাংলা — bangla.dhakatribune.com/bangladesh/109364
- আজকের পত্রিকা — ajkerpatrika.com (সমঝোতা সংক্রান্ত প্রতিবেদন, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬)
- ইত্তেফাক — ittefaq.com.bd/809297 ও ittefaq.com.bd/809424
- প্রথম আলো — prothomalo.com/bangladesh/district/v418ltf90u
- বাংলা ট্রিবিউন — banglatribune.com/country/chitagong/968159
- itvbd.com/country/chittagong/274874
- দেশ রূপান্তর — deshrupantor.com/719805

No comments:
Post a Comment
Please validate CAPTCHA